পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আমি বিদেশ আসছি, আপনি কেন আসবেন ?

ছবি
আদর্শ লিপি বইতে পড়েছিলাম, লেখাপড়া করে যে গাড়ি-ঘোড়ায় চরে সে । আমার এক ফ্রেন্ড পঞ্চম শ্রেণীর পর আর তার সাথে আমার অনেকদিন কোন যোগাযোগ নেই। কয়েক বছর পর হঠাৎ দেখা, এর মাঝে সে অন্য স্কুলে হাইস্কুল পর্যন্ত গেছে। কিন্তু এতে পড়ে কি হবে! স্কুল শেষ করার আগেই সে গাড়ি চড়া শুরু করেছে। আর আমার তখন গাড়ির কথা ভেবেই দিন কাটে। পড়ালেখা করে আরো কয়েক বছর কাটিয়ে দিলেও আমাদের সেই ‘গাড়ি চড়া’ হয়নি। বলছিলাম বন্ধুর কথা।লেখাপড়া না করে বা কম করেও যে গাড়ি চড়া যায় আর বাড়ি হয়, বিয়ে-সন্তান হয়ে ভালো ‘ধনী’ হওয়া যায় সে তার জলন্ত প্রমাণ। (এমন প্রমান অনেক আছে ) কলেজে পড়ার সময়ই দেখেছি তার ব্যবসা বড় হয়েছে। এরপর মাঝে একবার দেখেছিলাম বন্ধুর চেহারা। অতিশয় ব্যস্ত এক ব্যবসায়ী। বন্ধুর এখন অনেক টাকাও আছে বটে।অবস্থা হলো- আমার ‘সফল’ বন্ধুর মতো আমার টাকা নেই। এ রকম বন্ধু আমার আরো অনেক আছে। স্কুল-কলেজের বন্ধুরা এখন অনেকই প্রতিষ্ঠিত এবং তারা একদিকে ‘টাকাওয়ালা’ অথবা ‘ক্ষমতাবান’। দিন রাত বই মুখস্থ করে অনেকে সরকারী কর্মকর্তাও হয়েছে। এতসব না পড়েও অবশ্য অনেকে বড় কর্মকর্তা হয়েছে। আমি বাবার দেয়া হাতখরচ এর টাকায় এদিক-সেদিক ঘুরে বেড়

কি করলে ভালো হবে ? কনফিউজড !

ছবি
আমার জন্য সঠিক রাস্তা কোনটা? – বিদেশ, স্বদেশ, ব্যাবসা, চাকরি শ্রম বিক্রি (কামলা)? অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে  –  আমি দেশেই কিছু করবো নাকি বিদেশ যাবো (কোনটা করলে যে ভালো হয়) বুঝতে পারছি না। নিজেকে খুশি করবো? নাকি পরিবারকে? আমার মন চায় এটা, কিন্তু সবাই বলে অন্যটা ... ...  আমরা খুব সহজে বলে ফেলি  –  এটা আমার স্বপ্ন। কিন্তু কেন ?   –  সেটা জিজ্ঞেস করলে অনেকেই থমকে যাবে। মাথা চুলকোবে।  “ এই লাইনে টাকা আছে ” অই লাইনে ওটা আছে,   এ জাতীয় কথা খুব লেইম অথবা সস্তা শোনায়, তাই আমরা এটা স্বীকার করতে লজ্জা পাই। আমাদের মাঝে মহা পণ্ডিতের অভাব নাই।    দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদেরকে বড় করা হয় এভাবে  –  আমরা নিজেদের জন্য কোন দিকটা ঠিক, এটা নিজেরা কখনো ঠিক করার সুযোগ পাই না। শতকরা আশি ভাগ ছাত্রছাত্রী বাবা-মার চাপে, বড় ভাই-বোনের চাপে, বন্ধুদের চাপে কিংবা গত কয়েক বছরের ট্রেন্ডের চাপে সিদ্ধান্ত নেয়। পুরো মনোযোগ দিতে পারে না, নিজেকে খুঁজেও পায় না বলে হতাশায় ভোগে। অনেকের বাবা-মা জানেনই না যে ডাক্তারি এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ছাড়া পৃথিবীতে আর কোন পেশা আছে।   আমরা বাংলাদেশীরা হুজুগে জাতি ।  গত কয়েক বছরে প্